Text size A A A
Color C C C C
পাতা

কী সেবা কীভাবে পাবেন

নাগরিক সেবার তথ্য সারনী

ক্র: নং

বিভাগ/

দপ্তর

সেবাসমূহ/সেবার নাম

দায়িদ্বপ্রাপ্ত কর্মকর্ত/

কর্মচারীর নাম

সেবা প্রদানের পদ্ধতি

সেবা প্রাপ্তির প্রয়োজনীয় সময়

সেবা প্রাপ্তির প্রয়োজনীয় ফি/ট্যাক্স/

আনুসাংগীক খরচ

সংশ্লিষ্ট আইন কানুন/বিধিবিধান

নির্দিষ্ট সেবা প্রদানে ব্যর্থ হলে প্রতিকারের বিধান

 

Frequency

 

 

উপজেলা শিক্ষা অফিস

সকল শিশুর মাঝে বিনামূ্লে্ পাঠ্যবই বিতরণ

ইউইও, এইউইও এবং সংশ্লিষ্ট অফিস সহকারী

এনসিটিবি থেকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মাধ্যমেউপজেলাতে বই প্রাপ্তির পূর্বেই উপজেলা বই বিতরণ কমিটির সভা করা হয় । তারপর উপজেলাতে সরাসরি প্রাপ্ত বই রেজিষ্টারে এন্ট্রি দেয়া হয় এবং বিদ্যালয় থেকে প্রকৃত ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যানুযায়ী প্রধান শিক্ষকদের দাখিলকৃত চাহিদা মোতাবেক বই বিতরণের একুটি সূচি তৈরী করা হয় এবং নোটিশ বোর্ডে টাংগিয়ে দেয়া হয় এবং প্রধান শিক্ষকদের অবহিত করা হয় ।নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী প্র/শি দের নিকট বই বিতরণ করা হয় ।প্রধান শিক্ষকগণ এসএমসি ও অন্যান্যদের উপস্থিতিতে শিশুদের/ অভিভাবকদের নিকট বই বিতরণ করেন ।

২৫ ডিসেম্বর এর মধ্যে বিদ্যালয়ে এবং ৩১ ডিসেম্বর এর মধ্যে শিশুদের মাঝে বিতরণ করতে হয় ।

সম্পূর্ণ বিনামূল্যে

বই বিতরণ নীতিমালার আলোকে ।

ব্যর্থ হওয়ার কোন সম্ভাবনা নাই

প্রতি বছর ডিসেম্বর মাসে ১ বার

 

উপবৃত্তি প্রদান

কৃষি ব্যাংক, এইউই্ও, এসএমসি এবং শিক্ষকগণ

প্রতি বছর মার্চমাসে এসএমসি এর সভার মাধ্যমে ১ম শ্রেণির জন্য সুবিধাভোগী পরিবার নির্বাচন করা হয় ।উপজেলা ভিত্তিক নির্ধারিত কোটা অনুযায়ী উল্লাপাড়া উপজেলায় ভর্তিকৃত মোট ছাত্র-ছাত্রীর ৭৫% উপবৃত্তির সুবিধা পায় ।বছরে ৪ বার উপবৃত্তি প্রদান করা হয় । প্রতি ৪র্থ মাসে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি মিটিং করে নির্ধারিত শর্তানুযায়ী উপবৃত্তি প্রাপ্যদের তালিকা করে অনুমোদনের জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসে জমা দেয় । এইউইও এবং ইউইও যাচাই করে চুড়ান্ত তালিকা অনুমোদন করে এবং টাকা ছাড় করার জন্য নির্ধারিত ফরমেটে বিল প্রস্তুত করে আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা হিসাবে উপজেলা নির্বাহি অফিসারের নিকট উপস্থাপন করা হয় । উপজেলা নির্বাহি অফিসার এর স্বাক্ষর হওয়ার পর কৃষি ব্যাংকে প্রেরণ করা হয় ।বিল প্রাপ্তির পর ব্যাংক উপজেলা শিক্ষা অফিসারের সাথে আলোচনা করে টাকা বিতরনের সূচি প্রস্তুত করে প্রধান শিক্ষক, সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরে প্রেরণ করে ।নির্ধারিত সূাচি অনুযায়ী শিক্ষকগণ অভিভাবকদের অবহিত করেন এবং নির্ধারিত দিনে সুবিধাভোগী পরিবারদের উপস্থিত করেন। ব্যাংক প্রতিনিধি কয়েকটি বিদ্যালয় নিয়ে নির্ধারিত কেন্দ্রে টাকা নিয়ে উপস্থিত হন এবং শিক্ষকদের সনাক্ত করার মাধ্যমে অভিভাবকদের হাতে বরাদ্দকৃত টাকা বুঝিয়ে দেন ।উল্লেখ্য উপবৃত্তি প্রাপ্তির শর্তানুযায়ী একই বিদ্যালয়ের একই শ্রেণির একই কিস্তিতে বিভিন্ন অংকের টাকা পেতে পারে ।

বরাদ্দ পত্রে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে, সাধারনত প্রতি ৪র্থ মাসের ২য় সপ্তাহের মধ্যে

কোন ফি/টাকা দেয়া লাগে না, প্রকৃতপক্ষে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোন সুবিধাভোগীকে সুবিধা পেতে কোন অর্থ খরচ করতে হয়না ।

প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্পের নির্ধারিত নীতিমালা মোতাবেক ।

কোন সুবিধাভোগী পরিবার উপবৃত্তি পাওয়ার নির্ধারিত সকল শর্ত পূরণ করার পরেও সুবিধা বঞ্চিত হলে উপজেলা শিক্ষা অফিসে মৌখিক বা লিখিত ভাবে জানালে যাচাই ব্যবস্থা নেয়া হয় ।

প্রতি বছরে ৪ বার

 

শিক্ষকদের বদলী

ক্ষেত্রমতে উপজেলা শিক্ষা অফিসার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, বিভাগীয় উপপরিচালক এবং মহাপরিচালক

শিক্ষকবৃন্দ বদলীর জন্য যেসকল ক্ষেত্রে আবেদন করে : একই উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে, এক্ই জেলার বিভিন্ন উপজেলার বিদ্যালয়ে, একই বিভাগের বিভিন্ন জেলার বিভিন্ন উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে অথবা বিভিন্ন বিভাগের বিভিন্ন জেলার বিভিন্ন উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ।বদলীর সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের নিকট প্রধান শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টারের সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে আবেদন উপজেলা শিক্ষা অফিসারের দপ্তরে দাখিল করতে হয় । শূণ্যপদ থাকা সাপেক্ষে এবং বদলীর নীতিমালা পূরণ সাপেক্ষে একই উপজেলার মধ্যে উপজেলা শিক্ষা অফিসার, একই জেলার ভিন্ন উপজেলার মধ্যে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, একই বিভাগের ভিন্ন জেলার ভিন্ন উপজেলায় বিভাগীয় উপপরিচালক এবং ভিন্ন বিভাগের ভিন্ন জেলার ভিন্ন উপজেলায় মহাপরিচালক মহোদয় বদলীর আদেশ জারি করেন ।

ক্ষেত্রমতে ২-১৫দিন

-------

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলীর সর্বশেষ নীতিমালা

----

মাসে ৫-২০ জন

 

সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নাতি

প্রধান শিক্ষক, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা পদোন্নতি কমিটি

৩ বছরের এসিআর সহ পদোন্নতির আবেদন উপজলা শিক্ষা অফিসে দাখিল করতে হয় । উপজেলা শিক্ষা অফিসার সিনিওরিটির ভিত্তিতে নির্ধারিত কোটা অনুযায়ী পদোন্নতির জন্য উপজেলা পদোন্নতি কমিটিতে উপস্থাপন করেন ।কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক পদোন্নতির জন্য বিদ্যমান শূণ্য পদের তথ্য সহ পদোন্নতির জন্য নির্বাচিতদের তালিকা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের নিকট প্রেরণ করা হয় ।জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার পদোন্নতি দিয়ে এবং পদায়ন করে আদেশ জারি করেন ।

প্র/শি এর শূণ্যপদ থাকা সাপেক্ষে প্রতি ৩-৬ মাস পর

------

পদোন্নতির সর্বশেষ নীতিমালা মোতাবেক( প্রধান শিক্ষকের বিদ্যমান শূণ্যপদের ৬৫% কোটা)

 

 

 

শিক্ষকদের বেতন

উপজেলা শিক্ষা অফিসার

প্রতি মাসের ১১ তারিখে শিক্ষকবৃন্দ নির্ধারিত ছকে হাজিরা বিবরণী সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট দাখিল করেন এবং সংশ্লিষ্ট মাসে যে সকল শিক্ষকের বেতন প্রাপ্ত তাদের ব্যাপারে একটি প্রতিবেদন দাখিল করেন । উপজেলা শিক্ষা অফিসার যাচাই  করে বেতন প্রস্তুতের জন্য সংশ্লিষ্ট অফিস সহকারীকে নির্দেশণা দেন । বিল প্রস্তুতের পর উপজেলা শিক্ষা অফিসার স্বাক্ষর করেন এবং বিলটি  ট্রেজারি ব্যাংকে প্রেরণ করেন । ব্যাংক এনড্রোর্স করে উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসে প্রেরণ করে । হিসাব রক্ষণ অফিসার বিল পাশ করার পর এ্যাডভাইস দিয়ে পূণরায় ব্যাংকে প্রেরণ করে । ব্যাংক শিক্ষকদের বেতন তাদের নির্ধারিত হিসাব নম্বরে জমা করে । পরবর্তীতে শিক্ষকবৃন্দ তাদের সুবিধা মত সময়ে চেকের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করেন ।

প্রতি মাসে

-----

-----

-----

প্রতি মাসে

 

শিক্ষকদের পেনশন

উপজেলা শিক্ষা অফিস এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তা,কর্মচারী

প্রযোজ্য ক্ষেত্রে এলপিআর শেষ হওয়ার পর নিম্নক্ত কাগজপত্র উপজেলা শিক্ষা অফিসে দাখিল করতে হবেঃ

১. নির্ধারিত ফরমে পেনশন প্রাপ্তির জন্য আবেদনপত্র (৩ কপি ) ২. সকল শিক্ষাগতযোগ্যতার সনদ ৩. চাকুরীর পুর্ন বিবরনী  ৪. নিয়োগপত্র  ৫.  পদোন্নতির পত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ৬. উন্নয়ন  খাতের চাকুরী হয়ে থাকলে রাজস্ব খাতে সহানান্তরের সকল আদেশের কপি ৭. চাকুরীর খতিয়ান বহি ৮. পাসপোর্ট আকারের ৬ (ছয়) কপি সত্যায়িত ছবি ৯. নাগরিকতব সনদ ১০. হাতের পাঁচ আংগুলের ছাপ সমবলিত প্রমানপত্র ১৩. নমুনা স্বাক্ষর ১৪.  ব্যাংক হিসাব নমবর ১৫.  চাকুরী সহায়ীকরন সংক্রামত আদেশ  ৯. উত্তরাধিকারী ওয়ারিশ নির্বাচনের সনদ ১৭. অডিট আপত্তি  ও বিভাগীয় মামলা নাই মর্মে সুস্পষ্ট লিখিত সনদ ১৮. অবসর প্রস্তুতি জনিত ছুটি (এলপিআর) এর আদেশের কপি।

 

পারিবারিক পেনশন

নিম্নোক্ত কাগজপত্র দাখিল করতে হবেঃ

১.  নির্ধারিত ফরমে পেনশন প্রাপ্তির আবেদন করতে হবে ( ৩ কপি) ২.  মৃত্যু সংক্রান্ত সনদ ৩. নিয়োগপত্র ৪. পদোন্নতিপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ৫. শিক্ষাগত যোগ্যতা ৬. উন্নয়ন খাতে চাকুরী হয়ে থাকলে রাজস্ব খাতে সহানান্তরের সকল আদেশের কপি ৭. চাকুরীর খতিয়ান বহি  ৮. চাকুরীর পূর্ন বিবরনী ৯. নাগরিকতব সনদ ১০. উত্তরাধিকারীর/ওয়ারিশ সনদ ১১. মৃত্যুর দিন পর্যন্ত বেতন প্রাপ্তির সনদ ১২.  পাসপোর্ট আকারের  ৬ (ছয়) কপি সত্যায়িত  ছবি ১৩.  নমুনা স্বাক্ষর ১৪. উত্তারাধিকারী/ওয়ারিশগণের ক্ষমতাপত্র ১৫. বিধবা হলে পুর্নবিবরাহ না করার সনদ ১৬.  না নাবিপত্র ১৭. শেষ বেতনের প্রত্যয়নপত্র (এলপিসি) ১৮. ব্যাংক হিসাব নম্বর ইত্যাদি ।সকল কাগজপত্র শিক্ষা অফিসের সংশ্লিষ্ট অফিস সহকারী যাচাই করে উচ্চমান সহকারীর নিকট উপস্থাপন করেন, উচ্চমান সহকারী যাচাই করে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট উপস্থাপন করেন ।উপজলা শিক্ষা অফিসার যাচাই এর পর স্বাক্ষর করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে প্রেরণ করেন ।জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসেও একই ভাবে বিভিন্ন পর্যায়ে যাচাই হয়ে ডিপিইও চুড়ান্ত অনুমোদন দিয়ে সংশ্লিষ্ট উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসে এবং সংশ্লিষ্ট উপজেলা শিক্ষা অফিস সহ পেনশনারকেও কপি দেন ।পরবর্তীতে উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিস হতে বিল পাশ করে ব্যাংকে প্রেরণ করে কেস নিষ্পত্তি করা হয় ।

সকল কাগজপত্র ঠিক থাকলে আবেদনের পর থেকে সর্বোচ্চ ১৫ দিন ।

কোন ফি লাগে না ।

সককারি কর্মচারী পেনশন নীতিমালা ১৯৭৪ এবং পেনশন সহজীকরন আইন ১৯৮৫ মোতাবেক

সকল কাগজপত্র সঠিক থাকলে সেবা প্রদানে ব্যর্থ হওয়ার কোন কারণ নাই তারপরেও ব্যর্থ হলে দায়ী ব্যক্তি চিন্হি করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া সহ দ্রুত সেবা প্রদানের ব্যবস্থা করা যায় । আর কাগজপত্রের অসম্পূর্ণতা থাকলে বা জটিলতা থাকলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে সমাধানের জন্য লেখা হয় ।

মাসে ২ থেকে ৫ জন

 

বিদ্যালয় ভবন নির্মান

উপজেলা প্রকৌশলী(এলজিইডি)

সরকারের চাহিদা মোতাবেক অথবা বিদ্যালয়ের কমিটি ইত্যাদি এর আবেদনের প্রেক্ষিতে বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মান/সম্প্রসারণ এর জন্য উপজেলা শিক্ষা কমিটির অনুমোদনের পর উপজেলা প্রকৌশলীর প্রাক্কলন সহ প্রস্তাব অধিদপ্তরে/এলজিইডি তে প্রেরণ করা হয় ।নির্মান/সম্প্রসাণের অনুমোদন পাওয়ার পর উপজেলা প্রকৌশল দপ্তর হতে টেন্ডারের মাধ্যমে ঠিকাদার কর্তৃক নির্মান করা হয় এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, এসএমসি, প্রকৌশল অফিস, শিক্ষা অফিস এর মাধ্যমে তদারকি করা হয় ।

কাজের ধরন অনুযায়ী এবং কার্যাদেশের শর্তানুযায়ী সময় নির্ধারন করা হয় ।

সম্পূর্ণ সরকারি বরাদ্দের মাধ্যমে কাজ হয়, সুবিধাভোগীদের কোন খরচ নাই ।

 

নির্দিষ্ট সেবা প্রদানে ব্যর্থ হলে উপজেলা প্রকৌশলী, জেলা নির্বাহি প্রকৌশলী, এলজিইডি নিকট অভিযোগ করা যায় ।

বছরে ১০- ৪০ টি বিদ্যালয়

 

 

ক্ষুদ্র-মেরামত ও সংস্কার

উপজেলা প্রকৌশল দপ্তর, বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি

নির্মান/সম্প্রসারণের ন্যায়

সর্বোচ্চ ৩০ দিন

না

------

উপজেলা শিক্ষা অফিস, উপজেলা প্রকৌশল অফিস, ইউএনও বরাবর লিখিত ভাবে জানানো যায় ।

বছরে ৫-৫০ টি বিদ্যালয়

 

 

বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কমিটি গঠন

প্রধান শিক্ষক, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কমিটি

সকরারি নীতিমালা মোতাবেক বিভিন্ন ক্যাটাগরির সদস্য মনোনয়ন এবাং নির্বাচন এর মাধ্যমে ১২ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠিত হয় ।কমিটি গঠনের ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক সদস্য সচিব হিসাবে সার্বিক দায়িত্ব পালন করবেন । গঠিত কমিটি প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট আসবে এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কমিটির অনুমোদনের পর কার্যকর হবে ।

১ মাস

কোন খরচ নাই

কমিটি গঠনের সর্বশেষ নীতিমালা

উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট বা উপজেলা চেয়ারম্যান এর নিকট অভিযোগ করলে প্রতিকার করা যায় ।

প্রতি ৩ বছর পর

 

 

 

 

 

 

 

 

---

বছরে ২/৩ বার

 

 

বিদ্যালয়ে বিদ্যুত বিল প্রদান

সংশ্লিষ্ট অফিস সহকারী

 

বিদ্যুত বিল অফিসে দাখিল করলে বরাদ্দ প্রাপ্তি সাপেক্ষে হিসাব রক্ষণ অফিসের পাশের মাধ্যমে শিক্ষকদের হিসাব নম্বরে পাঠিয়ে দেয়া হয়া হয় ।

বরাদ্দ থাকা সাপেক্ষে ৫ দিন ।

------

----------

বরাদ্দ না থাকলে সেবা দেয়া যায় না । সেক্ষেত্রে পূনরায় বরাদ্দের জন্য লেখা হয় এবং বরাদ্দ পাওয়ার পর শোধ করা হয় ।

বছরে ২-৪ বার

 

 

শিক্ষকদের জিপিএফ লোন

সংশ্লিষ্ট অফিস সহকারী ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসার

উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিস হতে এ্যাকাউন্টস স্লিপ সহ লোনের কারণ উল্লেখ করে সহস্তে লিখিত আবেদন প্রধান শিক্ষক (সহ/শি এর ক্ষেত্রে)ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট দাখিল করতে হয় ।উপজেলা শিক্ষা অফিসার মার্ক করে সংশ্লিষ্ট অফিস সহকারীর নিকট প্রেরণ করেন । অফিস সহকারী বিল প্রস্তুত করে দাখিল করলে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের স্বাক্ষরের পর উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসে প্রেরণ করা হয় । উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসে বিল পাশ হলে ব্যাংকে গিয়ে শিক্ষক টাকা উত্তোলন করেন ।১ম লোনের ক্ষেত্রে উপরের নিয়ম অনুসৃত হয় । ২য় লোন বা বয়স ৫২ বছর হলে অফেত যোগ্য লোনের ক্ষেত্রে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এবং ৩য় লোনের ক্ষেত্রে বা লোনের কিস্তি বেশি হলে বিভাগীয় উপ পরিচালরকের নিকট থেকে অনুমোদন নিয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে বিল করে হিসাব রক্ষণ অফিসে বিল পাশ করতে হয় ।

ক্ষেত্র বিশেষে ১ দিন থেকে ৭ দিন পর্যন্ত 

কোন ফি লাগে না ।

জিপিএফ বিধির সংশ্লিষ্ট আইন

জিপিএফ এর জমার সাথে অসামঞ্জস্য পরিমান লোনের আবেদন করলে বা আবেদনে উল্লিখিত কারণের সাথে লোনের পরিমান সংগতিপূর্ণ না হলে পূনরায় আবেদন করতে হয় ।

ক্ষেত্র বিশেষে মাসে ১০-২০ জন

 

 

উচ্চতর পরীক্ষায় অংশগ্রহন

প্রধান শিক্ষক, এইউইও, ইউইও,ডিপিইও

চাকুরী পাওয়ার পর হলে সহস্তে লিখিত আবেদনের সাথে ভর্তির অনুমতি পত্র, পরীক্ষার রুটিন, প্রবেশপত্র, পূর্ববর্তী শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ইত্যাদি যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে উপজেলা শিক্ষা অফিসে দাখিল করতে হয় ।  সবকিছু যথাযথ থাকলে উপজেলা শিক্ষা অফিসার অনুমতির জন্য জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে প্রেরণ করেন । জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার যথাযথ মনে করলে অনুমতি প্রদান করেন ।

৫ দিন

কোন ফি লাগে না ।

---

---

পরীক্ষার সময় ক্ষেত্র বিশেষে ২০-৩০ জন

 

 

রস্ক( রিচিং আউট অব স্কুল চিল্ড্রেন)প্রকল্পের আওতায় উপবৃত্তি, শিক্ষোপকরণ, পোষাক ইত্যাদি প্রদান

সোনালী ব্যাংক,সংশ্লিষ্ট এনজিও, শিক্ষক, ব্যবস্থাপনা কমিটি ইত্যাদি

একটি আনন্দ স্কুলে ২৫ থেকে ৩৫ জন ৭-১৪ বছরের ঝরে পড়া বা বিদ্যালয় বর্হিভূত শিশু থাকে ।তাদের নামে সোনালী ব্যাংকে কার্ড এ্যাকাউন্ট থাকে । এখানে উপবৃত্তির পরিমান ১ম ও ২য় শ্রেণি ৫০/- এবং ৩য়-৫ম শ্রেণি ৬০/- এবং উপবৃত্তির প্রাপ্তির জন্য কোন শর্ত নাই কেবল স্কুলে উপস্থিত থাকলেই চলে । বাকী নিয়ম প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উপবৃত্তি বিতরনের অনুরুপ ।

রস্ক প্রকল্পে ৬মাস পরপর উপবৃত্তি প্রদান করা হয় । প্রতিবছর জুলাই এবং জানুয়ারি মাসে অর্থ বিতরণ করা হয় ।

কোন ফি বা টাকা লাগেনা ।

রস্ক প্রকল্পের নির্ধারিত নীতিমালা মোতাবেক

সেবা প্রদান করা হয় তবে সময়ের হেরফের হলে যতদ্রুত সম্ভব টাকা প্রদান করা হয় ।